সাভারের রাজনীতির উল্লেখযোগ্য ইতিহাস ( পর্ব-৩) - adsangbad.com

সর্বশেষ

Wednesday, August 12, 2020

সাভারের রাজনীতির উল্লেখযোগ্য ইতিহাস ( পর্ব-৩)


কে এম  হামিদ রঞ্জু : এবার আসা যাক মূল আলোচনায় ২৩ মার্চ ১৯৪০খ্রিষ্টাব্দে মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে মো: আলী জিন্নাহ ও মুসলিম লীগের উদ্ভাবিত দ্বিজাতিতত্ত্বের ভিত্তিতে নিখিল ভারত বিভক্ত হয়ে জন্ম নেয় সাম্প্রদায়িক পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র। যদিও লাহোর প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি ছিল না।এখানে লাহোর প্রস্তাবের কিছু 
অংশ তুলে দেয়া হলো," নিখিল ভারত মুসলিম লীগ তথা এদেশের কয়েক কোটি 
মুসলমান দাবি করতেছে যে,
যেসব এলাকা একান্তভাবেই
মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ যেমন উত্তর পশ্চিম সীমান্ত এলাকা এবং ভারতের পূর্বাঞ্চল,প্রয়োজন অনুসারে 
সীমানার রদবদল করিয়া ঐ
সকল এলাকাকে ভৌগোলিক 
দিক দিয়া এরূপ ভাবে পুনর্গঠিত করা হোক,যাহাতে উহারা স্বাধীন ও সতন্ত্র স্টেটস
এর রূপ পরিগ্রহ করিয়া সংশ্লিষ্ট ইউনিটদ্বয় সম্পুর্ন স্বায়ত্বশাসিত ও সার্বভৌমত্বের 
মর্যাদা লাভ করিতে পারে।অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী  শের-এ-বাংলা আবুল কাশেম 
ফজলুল হক সাহেবের পাঠ করা সেই লাহোর প্রস্তাবের কোথাও পাকিস্তান শব্দটি না
থাকিলেও ১৯৪৬ সালে মুসলিম লীগের দিল্লি অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাবকে
সংশোধন করে "স্টেটস" কে
বাদ দিয়ে পাকিস্তান শব্দটি 
সংযোজন করা হয়।লাহোর প্রস্তাবের মূল প্রতিপাদ্য বিষয়
ছিল -পরাধীন ভারতের স্বাধীনতার স্বাধ সতন্ত্র ভাবে
পেতে চায় মুসলমানরা।
মি: জিন্নাহ দ্বিজাতিতত্ত্বে দেখালেন হিন্দু ও মুসলিম দুটি 
আলাদা জাতি।এদের ধর্ম আলাদা,শিক্ষা, সৃংস্কৃতি ঐতিহ্য ও আদর্শ আলাদা। এই হলো পাকিস্তান নামক একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রের জন্মের মূল কথা।১৯৪৭ সালে 
ভারত দ্বীখন্ডিত হয়ে তথাকথিত স্বাধীনতা পোলম 
আমরা।সেই তথাকথিত খন্ডিত বাংলার এক অংশের নামই ছিল পূর্ব পাকিস্তান যা
বর্তমানে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। ১৯৪৭ সাল থেকে
সাভারে কে কে রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন তা আমি
প্রত্যক্ষ করি নাই,কিন্তু লোক 
মুখে শুনেছি।ঐ সময় রাজনীতিতে যে ব্যক্তিটির নাম 
সর্বাগ্রে নিতে হয় হলেন মৌ: সিরাজুদ্দিন সাহেব।১৯৫৪ সালে সাভার এলাকা থেকে
যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসাবে এম, এল, এ, নির্বাচিত হন।মৌলভী
সিরাজুদ্দিন সাহেব ব্যক্তি জীবনে অতন্ত্য সৎ ও সজ্জন 
প্রকৃতির লোক ছিলেন,আমি যতদুর জেনেছি তিনি তখন
মৌলানা ভাসানীর মুসলিম আওয়ামী লীগ করতেন।এই সৎ মহত ও সদালাপি ব্যক্তি সপ্ল সময়ের জন্য ক্ষমতায় গিয়ে নিজের জন্য যেমন কিছুই করেননি তেমনি এলাকার জন্যও তেমন কিছু 
করে যেতে পারেন নি।মৌলভী
সিরাজুদ্দীন সাহেবের বাড়ি ছিল  ভাকুর্তা ইউনিয়নের খাগরিয়া গ্রামে।(চলবে)

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages