সাভারের রাজনীতির উল্লেখযোগ্য ইতিহাস(১০,১১) - adsangbad.com

সর্বশেষ

Friday, August 21, 2020

সাভারের রাজনীতির উল্লেখযোগ্য ইতিহাস(১০,১১)

কে এম হামিদ রঞ্জু  : তিনজনের নাম উল্লেখ করেছি তারা কেউই সক্রিয় রাজনীতিক ছিলেন না এমন কি রাজনৈতিক পূর্ব অভিজ্ঞতা সম্পন্নও নয়।নির্বাচনি বৈতরণি পার হওয়ার জন্য তাদের একটি দলের টিকিট 
প্রয়োজন ছিল। ৭০ এর নির্বাচন থেকেই মনোনয়ন বানিজ্য শুরু হয় তা না হলে কি এম,এ পাশ সিরাজ ভাইয়ের পরিবর্তে অশিক্ষিত আনোয়ার জং মনোনয়ন পায়?৭০ নির্বাচনে আশরাফ
উদ্দিন খান ইমু ও আমি বেশ
কিছু আওয়ামী লীগের সমর্থক খুঁজে পাই এবং তাদের যথাযথ স্বদ ব্যবহার করি,তাদের মধ্যে আমিনবাজারের খন্দকার জালাল উদ্দিন, আশুলিয়ায় দেওয়ান সিদ্দিক, শিমুলিয়ায়
আহমেদ মিয়া পরে কয়েক দফায় উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন, হরিণধরায় নুরু পরে উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাজি নুরু এদের মধ্যে  অন্যতম। আশরাফ উদ্দিন খান ইমু ও আমি প্রতি ইউনিয়নে একটি করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন  করি।আওয়ামী লীগ তথা বঙ্গবন্ধুর তখন পর্ব্বতসম জনপ্রিয়তা।১৯৬৭ থেকে ৭০
পর্যন্ত সাভার থানার ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের রফিকুল ইসলাম মোল্লা ঠান্ডু ভাই,মাঝে মধ্যে 
তারই সহোদর আবুবকর সিদ্দিক মোল্লা মিন্টু এবং নেপথ্যে রাজনৈতিক গোলআলু ইউছুফ আহমেদ
এরাই সাভারের পুরো রাজনৈতিক আন্দোলন পরিচালনা করেছি।আওয়ামী লীগ, ন্যাপ বা অন্য কোন রাজনৈতিক দলের কোন নেতা চোখে পড়েনি, তবে 
আওয়ামী লীগের সিরাজ ভাইয়ের সামান্য উপদেশ পেয়েছি আর দেওয়ান মো:
ইদ্রিস সাহেবকে দেখেছি ছাত্র ইউনিয়নকে সহায়তা করতে। 
উক্ত সময়ে মুসলিম লীগের 
কোন ভুমিকা ছিল না সংগ্রামে। সম্ভবত ১৯৬৭বা ৬৮
তে ৬৯রেও হতে পারে সঠিক মনে পরছে না,মুসলিম লীগের সন্ত্রাসী ছাত্র সংগঠন 
এন,এস,এফ এর গুন্ডা বাহিনী আমাদের উপর আক্রমণ করার ফন্দি করে 
এন,এস,এফ এর পান্ডা ফিরোজ কবিরের নেতৃত্বে তখন ফিরোজ কবির সাভার ইস্কুলের ছাত্র। আমাদের হাতে
প্রচন্ড মার খেয়ে ফিরোজ কবির সাভার ছেড়ে পালিয়ে যায় আর সে ইস্কুলে আসেনি।

পর্ব -১১
"সাভারের রাজনীতির উল্লেখযোগ্য ইতিহাস। "
আবারও  বলছি সাভারে
জাতীয় রাজনৈতিক কোন দলেরই সাংগঠনিক কোন কমিটি ছিল না।আশরাফ উদ্দিন খান ইমু  ও আমিই ছাত্র লীগ ও আওয়ামী লীগ, অন্য দিকে রফিকুল ইসলাম মোল্লা ঠান্ডু ও তার সহোদর 
আবুবকর সিদ্দিক মোল্লা মিন্টু 
ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে সারা
পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে 
একক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।কিন্তু দু:খ্যের বিষয় পাকিস্তানির বাঙ্গালীদের কাছে ক্ষমতা দিলেন না।২৫ মার্চ ১৯৭১ সাল থেকে শুরু হলো মুক্তিযুদ্ধ। আশরাফ উদ্দিন খান ইমু ও আমি মুক্তিযুদ্ধে গেলেও ছাত্র ইউনিয়নের কোন নেতা সাভার থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেনি।
অবশ্য ২০১৭ সালে বর্তমান সরকারের কমিউনিস্ট মন্ত্রী 
নুরুল ইসলাম নাহিদ ক্ষমতায়
এসে সাভারের কয়েকজনকে
মুক্তিযোদ্ধা বানিয়ে রেখে যান
তার মধ্যে অন্যতম রফিকুল 
ইসলাম মোল্লা ঠান্ডু। ৭১ সালে 
জাতীয় রাজনীতি স্থবির হলেও পাকিস্তানিদের দোসর
হিসাবে আত্ম প্রকাশ ঘটে এদের নিয়ে আমি পরে আলোচনা করবো।একাত্তরে আমার সাথে যারা মুক্তিযুদ্ধে
অংশ গ্রহণ করেছিল তারা হলেন ছাত্র ইউনিয়ন সমর্থক 
মোজাম্মেল হক এবং কাইয়ূম খান যিনি কোন ছাত্র সংগঠনের সদস্য ছিলেন না।
কাইয়ূম খান ৭০এর নির্বাচনে 
জাতীয় লীগ নেতা ধামরাইয়ের আতাউর রহমান খান সাভার এলে তার পক্ষে 
কাজ করতে দেখেছি। (চলবে)

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages