সাভারের রাজনীতির উল্লেখযোগ্য ইতিহাস (পর্ব-৫) - adsangbad.com

সর্বশেষ

Saturday, August 15, 2020

সাভারের রাজনীতির উল্লেখযোগ্য ইতিহাস (পর্ব-৫)


কে এম হামিদ রঞ্জু : আইয়ুব খানের সামরিক 
স্বৈরশাসনামলের ১০ বছর তদানিন্তন পাকিস্তানের রাজনীতির ইতিহাসে এক কলঙ্কময় ও জঘন্যতম অধ্যায়।রাজনৈতিক নেতা কেনা বেচা শুরু হয় ঐ সময় থেকেই,এমনকি ছাত্র সমাজের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে ছাত্রদের সন্ত্রাসী বানানোর হাতেখড়িও দেয় ঐ
কুখ্যাত আইয়ুব/মোলায়েম।আয়ূব মোনায়েমের সৃষ্ট ছাত্র সংগঠনের নাম ছিল এন এস এফ অর্থাৎ ন্যাশনাল স্টুডেন্ট ফেডারেশন। এই সন্ত্রাসী ছাত্র বাহিনী দ্বারা বাঙ্গালির সকল
প্রগতিশীল ও ন্যায্য অধিকার 
দাবিয়ে রাখার প্রায়শ চালাতো।এই রাজনৈতিক নেতা কেনা বেচারা সময়ই সাভার এলাকায় আমদানি করা হয় সিলেটের অধিবাসী 
এন,এ,লস্কর ও ধামরাই থানার ভারারিয় ইউনিয়নের
আজগর হোসেন উকিলকে। 
আইয়ুব খানের মৌলিক গনতন্ত্রের নমুনা বলছি 'ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্য 
হবেন সরাসরি জনগণের ভোটে, এই সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন তাদের 
চেয়ারম্যানকে এবং সদস্য ও চেয়ারম্যানরা নির্বাচিত করবেন এম,পি, এ ও এম,এন,এ,কে আবার তাদের ভোটেই নির্বাচিত হবেন দেশের 
প্রসিডেন্টকে।' এই হলো ব্যাসিক ডেমোক্রেসি বা মৌখিক গনতন্ত্র।উল্লেখিত দুই 
জনের পরিচয় থেকে বুঝা যায় সাভারে মুসলিম লীগের তেমন কোন নেতা ছিল না।তৃণমূল পর্যায়ে দুই একজন ছিল তারা হলেন গেন্ডার 
একলা উদ্দিন খান,বিরুলিয়ার
মজিবর রহমান, ভাকুর্তার ইরান মুন্সি এরা। ১৯৬৩ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে 
আইয়ুব খান মুসলিম লীগের 
থেকে প্রার্থী হন ঐ সময় সমগ্র 
পাকিস্তান জুড়ে কম্বাইন্ড অপজিশন পার্টি করা হয় মুসলিম লীগ জামাত ইসলাম, নেজামত ইসলামের মতো ছোট ছোট দুই একটি দল ব্যতিত সকল রাজনৈতিক দল মিলে। ঐ সময় সাভারে কোন রাজনৈতিক দলের তেমন কোন কার্যকরী অস্তিত্ব পাওয়া যায় না,তখন পূর্ব পাকিস্তানের
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে পূর্ব 
পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন সংক্ষেপে ইপসুর একছত্র আধিপত্য। (চলবে)

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages