আব্দুর রহমান বয়াতী তার গানের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন - adsangbad.com

সর্বশেষ


Wednesday, September 11, 2019

আব্দুর রহমান বয়াতী তার গানের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন

নিজস্ব প্রতিনিধি:
২১ শে পদকপ্রাপ্ত জনপ্রিয় লোকগানের শিল্পী গীতিকার ও সুরকার, লালন সাধক আব্দুর রহমান বয়াতীর ৬ষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে শিল্পকলা একাডেমির নৃত্যকলা মিলনায়তনে ১০ সেপ্টেম্বর বিকালে স্মরণসভা ও সঙ্গীত সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, কবি শাহিন রেজা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মন্ডলির সদস্য, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান এড. ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. আব্দুর রহিম, গান বাংলার চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন রাজা, জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, আব্দুর রহমান বয়াতী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান আলম বয়াতীসহ প্রমুখ। বক্তরা বলেন, আব্দুর রহমান বয়াতী তার গানের মাঝেই অমর হয়ে থাকবেন। তিনি একজন দেশপ্রেমিক আদর্শবান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। একুশে পদকসহ অনেক আন্তর্জাতিক পদকে ভূষিত হয়েছিলেন তিনি। অ্যামেরিকার প্রেসিডেন্ট হোয়াইট হাউসে তাকে নিমন্ত্রণ করে সম্মানিত করেছিলেন। তার মতো মহান সঙ্গীত সাধক যুগে যুগে আসবে না। 
আব্দুর রহমান বয়াতী (জন্ম: ১৯৩৯ - মৃত্যু: ১৯ আগস্ট, ২০১৩) ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রসিদ্ধ লোকসঙ্গীত শিল্পী।[১] তিনি একাধারে অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগানের শিল্পী, গীতিকার, সুরকার এবং সঙ্গীত পরিচালক৷ শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ২০১৫ সালে একুশে পদক লাভ করেছেন। ১৯৩৯ সালে ব্রিটিশ ভারতের ঢাকার সূত্রাপুর থানার দয়াগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন আবদুর রহমান বয়াতী। এ পর্যন্ত তার প্রায় পাঁচশ একক গানের অ্যালবাম বের হয়েছে। পাশাপাশি তিনটি মিশ্র অ্যালবামে গান গেয়েছেন তিনি। তার উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে পাগল মন মনরে মন কেনো এত কথা বলে, ‘মন আমার দেহঘড়ি সন্ধান করি কোন মিস্তরি বানাইয়াছে, আমি ভুলি ভুলি মনে করি প্রাণে ধৈর্য্য মানে না, আমার মাটির ঘরে ইঁদুর ঢুকেছে, মরণেরই কথা কেন স্মরণ কর না, মা আমেনার কোলে ফুটল ফুল, ছেড়ে দে নৌকা মাঝি যাবো মদিনা। ১৯ আগস্ট ২০১৩ সালে রাজধানীর ধানমন্ডির সাতমসজিদ রোডের জাপান-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। পুরস্কার ও সম্মাননা- একুশে পদক, (২০১৫)। আলোচনা শেষে মনোজ্ঞ লালন সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। দেশের বরেণ্য লালন শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন।

Post Bottom Ad

Responsive Ads Here

Pages